Friday, May 12, 2023

গণতন্ত্রের "চার সীমাহীন স্বাধীনতার" কি আদৌ কোন প্রয়োজন আছে?

 

 হ্যাঁ গণতন্ত্র মতবাদের চারটি সীমাহীন স্বাধীনতা ১) ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ২) বিশ্বাসের স্বাধীনতা ৩) মালিকানার স্বাধীনতা ৪) মত প্রকাশের স্বাধীনতা এই চারটি স্বাধীনতার নিরঙ্কুশ অধিকারের কথা বলছি। আপনি কি মনে করেন একক ব্যক্তির ক্ষেত্রে এগুলো জীবন ও বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত? একটা সময় ছিল যখন আমি নিজে এই স্বাধীনতা চারটির বিরুদ্ধে অনেক কথা বলতাম ২০০২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত, মানে কম বেশী আট বছর। এই স্বাধীনতা গুলো হয়তো প্রয়োজনীয় কিন্তু এর সীমাহীন প্রকৃতি বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত নয় বলে মনে করতাম। আমি আমার নিজের বোধগম্যতা অন্যদের সাথে আলাপচারীতায় বলেছি যে এগুলো যদি সীমাহীন হয় তাহলে কেউ যদি আমার বন্ধুকে আমার সামনে অনৈতিকভাবে বকাঝকা করে তাহলে আমি নৈতিক ভাবে তার প্রতিবাদ করতে পারি না কারণ গণতন্ত্রে সেই ব্যক্তির বক্তব্য প্রকাশের বা মত প্রকাশের সীমাহীন অধিকার রয়েছে । তেমনি ভাবে যদি কেউ গাছ-লতা পাতাকে বা প্রকৃতিকে বিশ্ব সৃষ্টির অধিকর্তা হিসেবে বিশ্বাস করে আচার অনুষ্ঠান পালন করে তবে তাতে আমার কিছু বলার থাকতে পারে না কারণ তার যে কোন কিছুতে বিশ্বাসের পূর্ণ ও নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা রয়েছে। কেউ যদি নৈতিক কিংবা অনৈতিক ভাবে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে সেখানেও আমার কিছুই বলার থাকে না কারণ তার মালিকানার একছত্র অধিকার গণতন্ত্র সমর্থন করে। আর ব্যক্তিগত স্বাধীনতা সীমাহীন হলে তো কথাই নেই যার যা খুশি তাই করবে, অন্য কার তাতে বাধা দেয়ার বা প্রতিবাদ করার কি-ই বা থাকতে পারে। বিষয়গুলি বুঝা আমাদের দেশে বা সমাজে অত্যন্ত সহজ হওয়ার কথা ছিল কারণ আমরা বাংলাদেশ নামক কম বেশী সেকুলার গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে বসবাস করে থাকি। কিভাবে একজনের আচরণ করা উচিত তার উপর গাইড লাইন থাকার প্রয়োজন রয়েছে। প্রশ্ন হল, কে সেই গাইড লাইনের সীমানা স্থাপন করবে? সামাজিক ঐকমত্য বা আমরা যাকে ইংরেজিতে কনসেনসাস বলি সেটি? আমি সামাজিক ঐকমত্যের উপর অতটা আস্থা রাখতে পারি না কারণ এটি সমাজ থেকে সমাজে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে পরিবর্তিত হওয়াটা স্বাভাবিক এবং কখনই একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ডে স্থির হওয়ার কথা না। কারণ এক গুচ্ছ সমাজবদ্ধ লোক অন্য গ্রামের আরেক গুচ্ছ লোক থেকে ভিন্নতর চিন্তা চেতনার হতেই পারে যা সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল বলে আমি বিশ্বাস করি। তাহলে কে স্থাপন করবে এই গাইড লাইন? কোন অথরিটি বা পরিষদ অবশ্যই থাকতে হবে যারা এই গাইড লাইনটা নির্ধারণ করে দিবে। তাই এই সীমাহীন চার স্বাধীনতা কিংবা অধিকারের সীমাবদ্ধতা মেনে নেওয়া সেই সময়ে ন্যায়সঙ্গত মনে হয়েছিল। আমি এই চার সীমাহীন অধিকার চারটির বিরোধিতা করে বলতাম এগুলোর সীমা থাকা উচিত আর তা হওয়া উচিত ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বা স্রষ্টা যা নির্ধারণ করে দিয়েছেন তা থেকে। আমি এখন ব্যাখ্যা করতে চাই কেন সময়ের সাপেক্ষে আমার বোঝার ক্ষেত্রটি ভিন্নতর হয়ে গেল। কেন আমি আজ এই চারটি নিরঙ্কুশ স্বাধীনতার স্বপক্ষে আমার মত প্রদান করতে প্রস্তুত।

 আজকের বাস্তবতায়, আমি দেখতে পাচ্ছি যে, সীমানা যদি সংকীর্ণ হয়ে যায়, এবং এটি যদি আমাকে সংকীর্ণ স্থানে ফেলে দেয় তবে কে আমাকে এর চাপ থেকে উদ্ধার করবে? উদাহরণ স্বরূপ ধরুন, কেউ এই শহরের তিনটি পাঁচতলা বিল্ডিংয়ের মালিক যেখানে অনেকেরই অবস্থা এমন যে শুধু জমি কেনার চেষ্টা করছে যার উপর একটি বিল্ডিং দাড় করান যায় সমবায় এর ভিত্তিতে। হয়তো ওই বিপুল সম্পত্তি তার কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা অর্জিত হয়নি, সেটি তার পিতামাতার কাছ থেকে ওয়ারিশ সূত্রে অর্জন করেছেন । জনগণের মতামত হতে পারে, কেন তিনি এত কিছুর মালিক হবেন যখন তিনি কোন পরিশ্রম করে তা অর্জন করেননি এবং সরকার তাদের উপর নীতি প্রয়োগ করতে পারে যারা বংশগত ভাবে প্রাপ্ত হয়ে ও কিছুই না করে এত বেশি সম্পদের মালিক হয়ে গেছেন তাই তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি দরিদ্রদের জন্য ছেড়ে দেওয়া উচিত, অন্য কথায় অভাবীর দাবী বা হক হিসেবে । কিন্তু আমি নিজেই জানি কিভাবে আমার পিতামাতা দুজন তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে নিরাপদ রাখার জন্য ঘর তৈরি করতে এবং সম্পদ অর্জনের জন্য জীবনযাপনের সকল আনন্দকে বিসর্জন দিয়ে তাদের পুরো জীবনের পরিশ্রম ব্যয় করে গেছেন। তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপত্তা। এখন নীতিমালার দোহাই দিয়ে কেউ কেউ তা দখলে নিতে চান? এটা কি ন্যায়সঙ্গত মনে করা যায়? আমার মতে এটি একটি নিষ্ঠুরতার কাজ। তাই যারা নিতি প্রণয়ন করেন তাদের বিষয়টা উল্টে পাল্টে সব দিক দেখে যাচাই করে তবে আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা উচিত। আমি ছেলে হওয়ায় আমার চাচারা আমার বাবা মা’র রেখে যাওয়া সম্পত্তির ভাগ নিতে পারে নি তখন তারা পথ বের করেছে যে আমার বাবা’র মা আমার দাদু বেচে থাকাকালীন বাবা মারা যাওয়ায় তারা তাদের মা’র ছয় ভাগের এক ভাগ সম্পত্তি পায় ও তা নিয়ে কত প্রচেষ্টা। ঘরের চেয়ার টেবিল গুলো পর্যন্ত তারা ছয় ভাগ এর এক ভাগ করার প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছিল। ভাগ্য ভাল যে আমার তিন সন্তানের শেষ সন্তান ছেলে তা না হলে আমার বাবার অর্জিত সকল সম্পদের উপর তারা অর্ধের ব্রাদারী হক জাহির করার জন্য উঠে পরে লাগতো। এমন নয় যে তারা অভাবী তার পরও তাদের লোভ কমতো না। আর ধর্মীয় বিচারে এরূপ ব্যবস্থা কখনই মানবতা সম্মত নয়। সময়ের সাপেক্ষে মানবতার ধারণার উন্নয়ন হয় কিন্তু ধর্ম তার নিজ জায়গায় স্থির থাকে তা সে দুই হাজার বছর আগের হোক কিংবা চোদ্দ শত বছর আগের হোক। আমার বাবা তার বাবার সম্পত্তি থেকে কিছু না নিয়ে নিজের পরিশ্রমে ও আমার মা’র সহযোগিতায় সম্পদ গড়েছে তাদের একমাত্র ছেলে ও তার সন্তানদের জন্য এখন কোন অধিকারে অন্যরা তার দাবি করার সামর্থ্য রাখে?

যদি আমরা মনে করি এই নিরঙ্কুশ স্বাধীনতা গুলোকে সীমাবদ্ধ করব তাহলে এই সীমাহীন স্বাধীনতা সীমিত করার সঠিক মানদণ্ড কি হওয়া উচিত? মানুষের প্রকৃতি এমন যে তার পক্ষে একদম নিরপেক্ষ হওয়া কখনই সম্ভব নয়, নিরপেক্ষ বিচার মানুষের মনের পক্ষে প্রায় অসম্ভব। উদাহরণস্বরূপ যখন আমি আমার একমাত্র ছেলের দিকে তাকাই, এবং যখন আমি তার সমবয়সী অপরিচিত কোন ছেলের দিকে তাকাই, তখন বিচার সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তিত হয়। তাই যদি আমরা নিরপেক্ষভাবে বিচার করি তাহলে আমি দেখতে পাচ্ছি যে এমন কোন সত্তা নেই যাকে এই দায়িত্ব অর্পণ করা যায়। হয়তো সময় আসছে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক বিচার প্রক্রিয়া বিকশিত হবে, হয়ত তখন তা একশত ভাগ নিরপেক্ষ রায় দিতে সক্ষম হবে, আমি জানি না সেই সময়ে আমি কি বলতে পাববো। এটি এখন পর্যন্ত বর্তমান বাস্তবতা নয়।

আমার চারপাশের লোকেরা ধার্মিক এবং তারা ঐশ্বরিক আইন সম্পর্কে কথা বলবে এবং প্রশ্ন ছাড়াই তা মেনে চলবে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, আইনটি ঐশ্বরিক হওয়ায় কোনো সন্দেহর অবকাশ নেই যে এটি নিরপেক্ষ হবে। বিবেচনায় আনা যাক যারা দায়িত্বে আছেন তারা আধুনিক দিনের ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ, তারা এই পরিস্থিতিতে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবেন? তারা বলেন যে তারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন কিন্তু তারা তাঁর আইনকে তাদের দৈনন্দিন কাজে প্রবেশ করতে দেন না। এমতাবস্থায় আমার মতো একজন সাধারণ ধর্মনিরপেক্ষ মানুষ চরমভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়বে, ধর্মীয় ঐক্যমত্য তাদের সম্পূর্ণ ইচ্ছাশক্তি ও মালিকানার স্বাধীনতা কেড়ে নিতে পারে। আমি মনে করি না আমাকে অতীত থেকে প্রমাণ দিতে হবে, ইতিহাস নিজেই কথা বলে। এযাবৎ শুধুমাত্র দুটি স্বাধীনতা সম্পর্কে আমি উপরে আলোচনা করেছি, বাক স্বাধীনতা এবং মালিকানার স্বাধীনতা, এবার বাকি দুটোর দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করা যাক।

বাকি দুটির সীমা নিরঙ্কুশ হলে বিষয়টি কি দাড়ায়? ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং বিশ্বাসের স্বাধীনতা, এগুলো কি প্রয়োজনীয়? উদাহরণস্বরূপ ধরুন যদি আমি ইব্রাহিমের ঈশ্বরে বিশ্বাস করি এবং আপনি একজন ব্রাহ্মণ হিসাবে ব্রক্ষ্মা কে ঈশ্বর বিশ্বাস করেন, এখন একটি সময়ে আমি আপনার বিশ্বাস সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে গেলাম, কিংবা ধর্মনিরপেক্ষ হয়ে গেলাম, আমি কি তা করতে পারি? এ সমাজে প্রশ্নটি করতেও আমি ভয় পাচ্ছি, এমনকি প্রশ্নটি টাইপ করার সময় আমি ভিতরে ভয় অনুভব করছি। সমাজ কি আমাকে তা করতে দেবে? আমি মনে করি আধুনিক দিনের নগর জীবনে এই প্রশ্নগুলি সমাধান করা হয়ে গেছে, তারা বলবে, কেন নয়, আপনি যা ইচ্ছা বিশ্বাস করুন, এটিকে বিশুদ্ধ ধর্মনিরপেক্ষতা (ইংরেজিতে সেকুলার) বলা হয়।, এমন একটি দেশে আমরা বসবাস করছি যা ধর্মনিরপেক্ষ দাবি করলেও বাস্তবতা হল যদি আপনি আপনার বিশ্বাস পরিবর্তন করেন, আপনি আপনার অধিকাংশ বন্ধু মহল, এমনকি আপনার পরিবারকেও হারাতে পারেন। আপনি যে সমাজের সাথে যুক্ত তাতে এবং এমনকি আপনার চাকরিতেও এটি একটি কালো দাগ ফেলতে পারে। মহাত্মা গান্ধী তাঁর অনুসারীদের চরম ধর্মনিরপেক্ষতা সম্পর্কে শিক্ষা দিয়েছিলেন, আমি তাঁর সম্পর্কে যতদূর পড়েছি, তিনি বলতেন, শুধুমাত্র অন্যান্য ধর্মীয় মতামত সহ্য করলেই চলবে না, এমনকি তাদের আলিঙ্গন করুন এবং তাদের মতো সমস্ত ঈশ্বরের আনুগত্য কিংবা সম্মান প্রদর্শন করুন। এটিই স্বাধীনতার স্তর যা তিনি ভেবেছিলেন সম্ভব। আমাকে জিজ্ঞাসা করুন আমি তা করতে পারি কিনা!! আমি এটি নিয়ে বার বার চিন্তা করেছি এবং সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম যে এটি আমার পক্ষে অসম্ভব। কিন্তু সময়ের সাপেক্ষে বর্তমানে মনে হয় পারব যখন আমি জানি সকল ধর্মই আসলে মিথ বা মানুষের মন গড়া তাই যে কোন ধর্মোৎসবে অংশগ্রহণ করতে আপত্তি থাকার কথা না।

একটু গভীরে চিন্তা করলে দেখা যায় এটি কেবল অন্যের বিশ্বাসকে গ্রহণ করার বিষয় নয়, সমালোচনামূলক সংঘর্ষটি আচার-অনুষ্ঠান থেকে আসে, একজন গরু ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে বলি দেয়, অন্যজন মনে করে গরু তাদের ঈশ্বর বা মাতা, গোমাতা। এমনকি গরুর মল মূত্রও তাদের কাছে মহার্ঘ বা গো বর। প্রতিটি ধর্মীয় মৌলবাদী দাবি করবে যে তারা সঠিক পথে হাঁটছে এবং অন্যরা অস্বীকার করবে এই বলে যে তারা সম্পূর্ণ ভুল পথে হাঁটছে। আমি মনে করি না যে সুপার মার্কেটে কাপড় বা গহনা কেনার কেনার মতো করে ধর্ম কেনা উচিত। আমি মনে করি স্বাধীনভাবে জন্ম নেওয়ার জন্য, আমার কিছু জন্মগত অধিকার আছে, আমার বাতাসে শ্বাস নেওয়ার অধিকার আছে, কথা বলার বা এমনকি চিৎকার করার অধিকার আছে, আমি চাই আমার শক্তি এবং সামর্থ্য দিয়ে আমার সম্পদ সংরক্ষণ ও রক্ষা করার অধিকার, তা যতই হোক না কেন, আমার সামর্থ্য যতটুকু দখল করতে পারে ততটুকু অধিকার করার অধিকার আমার আছে, এবং যদি আমি কিছু বিশ্বাস করি তবে আমার বিশ্বাসকে আপনার সম্মান করা উচিত। আমি মনে করি চারটি স্বাধীনতাই মূলত ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং এর উপর সীমাবদ্ধতা বা কারো কোনো কর্তৃত্ব থাকা উচিত নয়। আমি জানি না আপনারা কি বলবেন, তবে আপনি যাই বলবেন না কেন, আমি সেটিকে আপনার কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতা হিসাবে গ্রহণ করব এবং আপনাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টাও করব না। আপনার প্রতি অনুরোধ আমার চার স্বাধীনতাতেও আপনি অযথা হস্তক্ষেপ করবেন না আর করলেও আমার অনুমতি নিয়ে করবেন। এই চারটি স্বাধীনতা মানুষ হিসেবে আমার জন্মগত অধিকার তাই মানবতার খাতিরে এগুলোকে সীমাহীনই থাকতে দিন যতক্ষণ না তা আপনার ক্ষতি করছে। এদেশের মানুষ না গণতন্ত্র বুঝে, না ধর্ম নিরপেক্ষতা বুঝে? অধিকাংশ অশিক্ষিত হওয়ায় এদেশের সংবিধানের তিন মূল ধারা সম্পর্কেও তাদের জ্ঞান সীমিত। এই অবস্থাটি এ দেশের শিক্ষিত সমাজে হওয়া উচিত নয়। অতিমাত্রায় ধর্মান্ধদের ও কুসংস্কার আচ্ছন্নদের এদেশের সরকার কঠোর হস্তে দমন করুক তাই আমাদের কামনা হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। সরকারের পাশাপাশি এ বিষয়ে জনমত গড়ে তোলাও এ দেশের শিক্ষিত সমাজের কর্তব্য।
 

Edit and update history: 11dec2018 translated to Bangla on 3apr23> 13may23 >

 

 

 

 

 

No comments:

Post a Comment