Monday, May 18, 2026

শ্রমিকের মর্যাদা আজও কি অর্জিত হয়েছে?

 

মনে পড়ে যায়, এদেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডা. বদরুদ্দজা চৌধুরীর কথা, উনাকে আশৈশব একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে দেখে আসছি। টিভিতেও আবার রাজনৈতিক অঙ্গনেও, তাছাড়া উনি জনপ্রিয় ডাক্তারও ছিলেন । আমার মা উনার কাছে চিকিৎসার জন্যও গিয়েছিলেন, সেই গল্পও শুনেছি ছোটবেলায়। সেই উনি রিকশাওয়ালাদের আপনি করে সম্বোধন করতে বলেছিলেন যখন রাষ্ট্রপতি হন। তার কিছু কাল পরই উনাকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে যেতে হয়, হয়তো কোন ভিন্ন রাজনৈতিক কারণে, কিন্তু আমার শিশু মন ভেবেছিল হয়তো রিকশাওয়ালাদের তুমির বদলে আপনি করে বলতে বলার কারণেই বুর্জুয়া জনগোষ্ঠী উনাকে রাষ্ট্রপতির উপযুক্ত পদমর্যাদার মনে করেননি। শ্রমজীবী মানুষ বা যে জনগোষ্ঠী জাতির নিচের দিকের স্তর গুলোতে নিরলস ভাবে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন, যাদের ঘামের বদৌলতে সমাজের উপরকার স্তরের চাকাগুলো ঘুরে সেই নিম্ন শিক্ষিত ও অশিক্ষিত, নিম্নবিত্ত জনগোষ্ঠীর প্রতি উচ্চবিত্তদের অবহেলা আজ পর্যন্ত তেমন একটা পরিবর্তন হয়েছে বলে আমার মনে হয় না। উচ্চবিত্তরা নিম্নবিত্তদের এখনও তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের চোখে দেখে, অচ্ছুত মনে না করলেও তাদের থেকে দুরে থাকে। শ্রমিকদের অতি নিম্ন স্তরের ইতর মানুষ মনে করে। আমার সাথে দ্বিমত করতে পারেন এই বলে যে, হয়তো অনেকে তা করে তবে আপনি তা মনে করেন না। নিজেকেই একটু প্রশ্ন করবেন কি? আপনি শ্রমিকদের জন্য কি কি করেছেন? তা হলেই উত্তরটা আমার সাথে মিলে যাবে।

আমার বাবা তার ছোট তিন ভাইকে পড়াশুনার করানর জন্য নিজের পড়াশুনা শেষ করেই দ্রুত চাকুরীতে জয়েন করেন বাংলাদেশ চিনি শিল্প কর্পোরেশনে। তার পোস্টিং হয় জয়পুরহাট, কুষ্টিয়া আর মোবারক গঞ্জ চিনিকল বা সুগারমিলে, আমার জন্মর সময় উনি ছিলেন যশোর এর নিকটবর্তী মোবারক গঞ্জ সুগারমিলের চিফ ইঞ্জিনিয়ার । তৎকালের সচিব জনাব নেফাউর রহমান মহোদয় যখন যেখানকার চিনিকলের দায়িত্ব পেয়েছেন সেখানে আমার বাবা এস এম আব্দুর রহিমকে নিয়ে গেছেন, কারণ আর কিছুই না, বাবা সেই চিনি কলের শ্রমিকদের খুব সহজে ম্যানেজ করে ফেলতেন। বাবার মন অনেক বড় ছিল আর তার ভুবন ভুলান হাসি আর সহজে সবার সাথে মিশতে পারার গুণাবলীর কারণে বাবা সকল শ্রমিক সংগঠনের দাবী দাওয়া আর অসন্তোষ মীমাংসায় কার্যকরী ভূমিকা রেখেছেন বলে শুনেছি।

শ্রমিক তারাই যারা নিয়মিত বেতন পান না, যারা মাসিক বেতন বা পে-রোলে থাকে না, ঘন্টা মাফিক কিংবা চুক্তিতে কাজ করেন, কিংবা দৈনিক (রোজ) ভিত্তিতে কাজ করেন। এই শ্রমিকদের অবহেলা করলে তার প্রভাব দেশের জিডিপিতে পড়বে তাতে সন্দেহের কি আছে? হাদিসে সাফিনার কথা কয় জন মুসল্লি জানেন? মহানবী হজরত মোহাম্মদ সাঃ বলে গেছেন সেই দ্বিতল কিংবা দুই ডেক নৌকার কথা। নিচের তলার মানুষের নিকটে পানি, কিন্তু তা পানযোগ্য না, উপর তলার মানুষজন যদি না নিচের মানুষগুলোকে সুপেয় পানি না দেয় তবে তারা নিচের তলা ফুটা করে পুর নৌকাটাই ডুবায়ে দিবে। এই হাদিসটি মুসলিম ডকট্রেনে সমাজবিদ্যার ভিত্তি স্বরূপ। আজকালকার মৌলানারা সমাজবিদ্যা, মনোবিদ্যা পড়েন না অথচ চার্চের পাদ্রিদের মধ্যে ডক্টরেট করা পাদ্রীও পাওয়া যাবে। আমাদের কওমি মাদ্রাসার আলেমগন হাদিস কোরআনে পারদর্শী কিন্তু প্রায়োগিক বিদ্যায় তারা বড়জোর ৬ মাস সময় ব্যয় করেন, তারা মনে করেন যে এই ছয় মাসে তারা অনার্স মাস্টার্স করা লোকদের চেয়ে ওই বিষয়ে বেশি জ্ঞান অর্জন করে ফেলেন। মজার কথা হলো ফিলিস্তিন, কিংবা ইসরাইলে মানবতা লঙ্ঘিত হচ্ছে সে বিষয়ে এদেশের মুসলিম জনগোষ্ঠী আবেগাপ্লুত কিন্তু সমাজবিদ্যার এক মহান সূত্র যে ইসলামে বলা আছে তা মসজিদের কোন ইমাম সাহেবের কাছ থেকে কখনও শুনি নাই, শিখতে হয়েছে বই পড়ে। মসজিদে আবার সমাজবিদ্যার বিষয় কে বলবে, ওখানে তো আরবিতে তেলাওয়াতের বিষয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করা হয়। কে কত সুমধুর তেলাওয়াত করতে পারেন তার উপর সব মনোযোগ নিবদ্ধ। বর্তমান অর্থনীতির সাথে ইসলামীর অর্থনীতির পার্থক্য এই যে, বর্তমান অর্থনীতি সম্পদের হাহাকারের কথা বলে উৎপাদন বাড়াতে তাগিদ দেয়, আর ইসলামী অর্থনীতি বলে যে সম্পদের হাহাকার নাই বরং সকল মানুষের মাঝে সম্পদের অসম বণ্টনের জন্যই হাহাকার সৃষ্টি হয়। এই পার্থক্যটাও মসজিদে আলোচনায় আসে না, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির ক্লাসেও আলোচিত হয় না, কি এক অবাক কান্ড! 

নিচের <কোট কৃত> অংশটি সেকেন্ডারি ডাটা যা গুগল এ-আই এর মাধ্যমে সংগৃহীতঃ-
<কোট> বাংলাদেশের আইন ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে "শ্রমিক" বলতে এমন কোনো ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি কোনো প্রতিষ্ঠানে মজুরি বা পারিশ্রমিকের বিনিময়ে কায়িক, দক্ষ, অদক্ষ, কারিগরি, ব্যবসা উন্নয়নমূলক বা করণিক কাজ করেন।
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রমিক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নিচে দেওয়া হলো:

১. আইনি সংজ্ঞা
শ্রমিক হতে হলে তাকে অবশ্যই কোনো মালিকের অধীনে চুক্তির ভিত্তিতে (মৌখিক বা লিখিত) কাজ করতে হবে। তবে সাধারণত প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক বা ব্যবস্থাপনামূলক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা (যেমন—ম্যানেজার বা জিএম) শ্রম আইনের সাধারণ সংজ্ঞায় "শ্রমিক" হিসেবে গণ্য হন না।

২. শ্রমিকের প্রকারভেদ
কাজের ধরন ও স্থায়িত্ব অনুযায়ী শ্রমিকদের কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে:

স্থায়ী শ্রমিক: যারা নির্দিষ্ট প্রবেশনকাল শেষে স্থায়ীভাবে নিয়োগ পান।
অস্থায়ী শ্রমিক: যাদের কাজ সাময়িক সময়ের জন্য।
শিক্ষানবিশ (Apprentice): যারা কোনো কাজ শেখার জন্য নির্দিষ্ট ভাতায় কাজ করেন।
বদলি শ্রমিক: কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী শ্রমিকের অনুপস্থিতিতে তার জায়গায় কাজ করেন।
ক্যাজুয়াল বা সাময়িক শ্রমিক: অনিয়মিত বা আকস্মিক কাজের জন্য নিযুক্ত।

৩. শ্রমিকের মৌলিক অধিকার ও সুরক্ষা
একজন শ্রমিক হিসেবে আইনের অধীনে কিছু নির্দিষ্ট সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে:

মজুরি ও ভাতা: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বেতন পাওয়া এবং অতিরিক্ত কাজের জন্য দ্বিগুণ হারে ওভারটাইম পাওয়া।
কাজের সময়: দিনে সাধারণত ৮ ঘণ্টা এবং সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৪৮ ঘণ্টা কাজ (ওভারটাইমসহ ৬০ ঘণ্টা)।
ছুটি: সাপ্তাহিক ছুটি, নৈমিত্তিক ছুটি (১০ দিন), অসুস্থতার ছুটি (১৪ দিন) এবং অর্জিত ছুটি।
ট্রেড ইউনিয়ন: নিজেদের অধিকার আদায়ে সংগঠন বা ইউনিয়ন করার অধিকার।
নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য: কর্মক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ এবং কাজের সময় দুর্ঘটনায় আহত হলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকার।

৪. সাম্প্রতিক পরিবর্তন
২০২৪ ও ২০২৫ সালের সংস্কারের মাধ্যমে শ্রমিকের সংজ্ঞায় কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং স্টাইলে কাজ করা ব্যক্তিদেরও শ্রম অধিকারের আওতায় আনা যায়।
বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য সরকার নির্ধারিত সর্বনিম্ন মজুরি বর্তমানে কোন সেক্টরে কাজ করছেন তার ওপর নির্ভর করে। ২০২৬ সালের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী প্রধান খাতগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. পোশাক শিল্প (RMG) শ্রমিকদের মজুরি
তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য সরকার নির্ধারিত বর্তমান মাসিক সর্বনিম্ন মজুরি ১২,৫০০ টাকা।

চালু হওয়ার সময়: এটি ১ ডিসেম্বর ২০২৩ থেকে কার্যকর হয়েছে।
বার্ষিক বৃদ্ধি: প্রতি বছর মূল বেতনের ওপর ৫% থেকে ৯% হারে ইনক্রিমেন্ট বা বেতন বৃদ্ধির নিয়ম রয়েছে।
এপ্রেন্টিস (শিক্ষানবিশ): যারা কাজ শিখছেন, তাদের জন্য নির্ধারিত মাসিক ভাতা প্রায় ৯,৮৭৫ টাকা।

২. সরকারি কর্মচারীদের মজুরি
সরকারি চাকরিতে (২০তম গ্রেড) বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮,২৫০ টাকা। তবে ২০২৬ সালের জন্য একটি নতুন পে-কমিশন প্রস্তাব করা হয়েছে:

প্রস্তাবিত সর্বনিম্ন বেতন: ২০,০০০ টাকা (এটি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে এবং জুলাই ২০২৬ থেকে পুরোপুরি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে)।  <আনকোট> 

বিঃদ্রঃ বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রমিকদের নূন্যতম বেতন ও শ্রমিকদের প্রকারভেদ সংক্রান্ত উপরোক্ত তথ্য সমূহ গুগল সার্চ ইঞ্জিন এর এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ব্যবহার করে সংগ্রহ করা হয়েছে যা সেকেন্ডারি ডাটা বা উপাত্ত সূত্র হিসেবে এই লেখায় সংযোজিত হয়েছে।

মানব শ্রমের কি কোন বিকল্প আছে? যখন মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণ করে লোহা গলায়ে চাকা বানাল, তারপর পশুদের দিয়ে গাড়ি টানাল কিংবা ঘোড়ায় চরে দ্রুত স্থানান্তরে সক্ষম হলো তার পরও কি মানব শ্রমের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেছে? হ্যাঁ, প্রতিটি বিপ্লবে, প্রতিটি যুগ পরিবর্তনে মানুষের শ্রমবাজারে পরিবর্তন এসেছে কিন্তু মানব শ্রমের বিকল্প এই কিছুদিন আগেও কিছু বুঝে উঠা যাচ্ছিল না। তবে আজকের কথা একদম ভিন্ন। প্রযুক্তিগত অগ্রগতি রোবট হ্যান্ড, উৎপাদনে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি প্রয়োগের ফলে মানব শ্রমের বিকল্প তৈরি হয়েছে কিন্তু তার পরও মানব তদারকির প্রয়োজন এখনও আছে, অদূর ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর সময় হয়তো সেই তদারকিটাও মেশিন বা যন্ত্র দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যাবে। তখন মানব শ্রমের মূল্য হয়তো কমে আসবে কারণ উৎপাদনে প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বেড়ে যাবে।

যে কারণে প্রশ্ন করেছি শ্রমিকের মর্যাদা আজও কি অর্জিত হয়েছে? আইন শুধু খাতা কলমেই আছে বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখি কই? গ্রামের হত দরিদ্র এক পরিবার, স্বামী মটর ম্যাকানিক, গ্রামের গ্যারেজে কাজ নাই তেমন একটা তাই তার স্ত্রীকে ঢাহা শহরে এসে গার্মেন্টসে কাজ করতে হয়। এ স্বামীটি এক মাসের মধ্যে ঢাহার একটা মটর গ্যারেজে কাজ পেয়ে গেল, যদিও বেতন খুবই সামান্য মাত্র ৯ হাজার টাকা মাসে, গার্মেন্টসে কাজ করে স্ত্রী পায় ১১ হাজার টাকা। এই ২০ হাজার টাকায় স্বামী স্ত্রীর ঢাহায় খাওয়া দাওয়া ও থাকা আর গ্রামের বাড়িতে মেয়ের পড়াশুনা ও খাওয়া খরচ চালন চাট্টি খানি কথা না। বাড়িতে গরু আছে কয়েকটা, ওগুলোর জন্য খর কিনতেও টাকা লাগে। যা হোক, যেভাবেই হোক স্বামী স্ত্রী এক সাথে তো থাকতে পারছে, আগে তো দু জন দুই জায়গায় থেকে উপার্জন করতো তাও এটুকুও জুটতো না। মটর গ্যারেজের ম্যাকানিক প্রথম মাসের বেতন পেয়ে বড়ি যায় মা’য়ের কাছে, কিন্তু দ্বিতীয় মাসে তেলের সংকট ও রাস্তা মেরামতের কারণে মটর গ্যারেজের উপার্জন গেল কমে। গ্যারেজ মালিক আর তাকে বেতন দিতে চায় না। এদিকে স্ত্রী তাকে খোটা দেয় যে সে নিজের কামাই খায় স্বামীর কামাই খায় না, তা শুনে স্বামী খাওয়াই বন্ধ করে দেয়, বলে নে তোর ভাত আমি খামু না। পরদিন দুপুরেও সে আসে না, স্ত্রীর মন কাঁদে, দুখে তার চোখে জল আসে, ছেড়েই তো দিয়েছিল সে তার স্বামীকে যখন দাম্পত্য  কলহে স্বামী তাকে তালাক দিয়েছিল কয়েক বছর আগে। ভালোবাসে বিয়ে করেছিল তাই সেই চরম ধাক্কা সহ্য করতে পারে নি স্ত্রী। তারপর তাদের পুন বিয়ে হয়। যত চেষ্টাই করুক, অভাব দুর হয় না, মনে মনে ভাবে ও গেল ভালো, না গেলও ভালো। স্বামীকে বলে এত নাটক না করে তার গাট্টি বস্তা নিয়ে চলে যেতে, সে তার মত থাকতে পারবো একাই। গ্যারেজ মালিক বেতন দিচ্ছে না ওদিকে স্ত্রীর কাছে কথা শুনা স্বামীটির মাথাই নষ্ট হয়ে গেল। স্ত্রীর উপর অত্যাচার শুরু করলো সে, একদম চলে যাবে ভয়ও দেখাল, তাতেও তার স্ত্রী’র ভ্রুক্ষেপ নাই। বলে বাসা ভাড়াটা তো দিয়ে যা। সারা মাস খেটেছে তার পর যদি সেই শ্রমের মূল্য সে না পায় তবে ওই স্বামীটির মাথা ঠিক থাকবে কি করে? কাকে কি বলবে সে? কে তার পারিশ্রমিক আদায় করে দিবে?

এদেশের উচ্চ মধ্য বিত্ত সমাজের ব্যক্তিদের কাছে একটা প্রশ্ন রেখে শেষ করছি, আপনার মাসে কমবেশি ৪ লক্ষ টাকা খরচ করেও শান্তি পান বলে মনে হয় না, আরো উপার্জনের রাস্তা খুঁজেন, আচ্ছা বলেন তো একই দেশে চার চারটা মানুষের এক শ্রমিক পরিবার মাসে ২০ হাজার টাকা  খরচ করে জীবন যাপন করছে কি করে? – আহারে জীবন, আহা জীবন, জলে ভাসা পদ্ম যেমন।

লেখার শেষ লাইনটা চিরকুট ব্যান্ডের ডুব এ্যালবামের আহারে জীবন গানটা থেকে নেয়া। 

গানটার ইউটিউব লিংক https://youtu.be/oyFFq0yMZJU?si=XnZpM8LFOUdkePfC
 সম্পাদনা ও উন্নয়ন ইতিহাসঃ ২৬এপ্রিল২০২৬>১৩মে২০২৬> ১৯মে২০২৬>


 

No comments:

Post a Comment